ফকির উয়ায়ছী:
২:১৮৩# “হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর রোজা ফরয করা হয়েছে, যেরূপ ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর, যেন তোমরা পরহেযগারী অর্জন করতে পার।”
২:১৮৪# “গণনার কয়েকটি দিনের জন্য অতঃপর তোমাদের মধ্যে যে, অসুখ থাকবে অথবা সফরে থাকবে, তার পক্ষে অন্য সময়ে সে রোজা পূরণ করে নিতে হবে। আর এটি যাদের জন্য অত্যন্ত কষ্ট দায়ক হয়, তারা এর পরিবর্তে একজন মিসকীনকে খাদ্যদান করবে। যে ব্যক্তি খুশীর সাথে সৎকর্ম করে, তা তার জন্য কল্যাণ কর হয়। আর যদি রোজা রাখ, তবে তোমাদের জন্যে বিশেষ কল্যাণকর।”
উয়ায়ছী তরিকতের নাামধারী কিছু পীর সেজে বসেছে। পীরগিরি ব্যবসা তাদের রুজি রুটির ব্যবস্থা। এরা বিভ্রান্ত মানুষকে নামায রোজ থেকে বিরত রাখে। নামায রোজা করতে নিরুৎসাহিত করে। এই সব পীর এই তরিকতের গোড়ার বুজুর্গগনের দিকে তাকিয়ে দেখে না। দেখে না তাদের কিতাব। কি বলে গেছেন তরিকতের অনুসারিদের জন্য। অর্বাচীন মুরিদরা তাদের মুখের কথা শুনেই আল্লা, রাছুল কথা এবং তরিকতের বুজুর্গগনদের কথার ধার ধারে না। আসলে এদের চক্ষু, কর্ণ, অন্তর করণ সীল মোহর হয়ে গেছে। অর্বাচীন মুরিদরা দেখে না তাদের পীরের খেলাফতি বৈধ নয়।
বেশ কিছুদিন আগে উয়ায়ছী তরিকতের নামধারী খেলাফত বিহীন পীর ফোন করেছিলো আমাকে সকা্লে একটি খবর নেওয়ার আশায়। মুরুব্বী মানুষ বিধায় খবর দেওয়ার জন্য তাকে ফোন করি যোহর নামাযের পর। তার সাথে কথা বলে বুঝতে পারছিলাম কিছু খাচ্ছে।
আমি জিজ্ঞাসা করলাম খাচ্ছেন নাকি? আমাকে উত্তর দিলো আমি খাই না। আমার সাথে থাকা হায়ানাতকে খাওয়া দিচ্ছি। আমি বললাম তা তো ভাল। হায়ানাতকে খাওয়া না দিলে তো সমস্যা। খাওয়াতে তো হবেই পশুর তো রোজা নাই। তবে কাকা কি খেতে দিলেন আজ প্রথম রোজা? বলে তোমার চাচী ডাটা দিয়ে মাছের ঝোল, কৈল্লাভাজি, আর ডাইল দিছে। আবার জিজ্ঞাসা করলাম রান্না কেমন হইছে। উত্তরে বললো তোমার চাচীর হাতের রান্না মজা। আমি বললাম কাকা আপনার হায়ানাত তো আপনার সাথ ছাড়বো না। আর আপনার তরিকতের যত মুরিদই থাক সব নিয়া জাহান্নামেই যাইতে হবে। যেহেতু হায়ানাত/ খান্নাস দুর করতে পারতেছেন না। রোযার দিনেও খাওন দেওয়া লাগতেছে। আমার বুদ্ধি নিলে খান্নাস পালাবে এখনই। জানতে চায় কি বুদ্ধি? ভাতের থালি থেকে সব ফালাইয়া দিয়া থালা ভরে পায়খানা, পেশাব তুলেন নিয়া বসেন দেখেন আর খাইবো না। উত্তরে বলে; ধুর বেটা আমি ভাত খাইতাছি। এই হলো ভন্ড পীরদের অবস্থা আমি এক ফোটাও মিথ্যা বলছি না সত্য ঘটনা। তবে মানটা উল্লেখ করলাম না কারণ সে পির সাহেবের ছেলে আমার লিষ্টে আছে। যাদের পীর নিজে রোযা করে না এবং মুরিদদের রোযা করে না বিশেষ করে উয়ায়ছী তরিকতের তাদের জন্য রোগ অনুযায়ী ব্যবস্থা পত্র।
আমি এতক্ষন আমার তরিকতের ভন্ডদের কথা বললাম। অন্য তরিকতেও এই সংখ্যা কম নয়। প্রয়োজনে আলোচনা করতে পারেন। আর দিনে খাইয়া রোযা রেখে শান্তি পাইলে বাবার সাথে জাহান্নামে যাওয়ার জন্য রেডি থাকেন।
ফকির উয়ায়ছী আত্মশুদ্ধিতেই আত্মতৃপ্তি, স্রষ্টার নৈকট্য লাভেই মুক্তি, ফকির উয়ায়ছী
