★★রাসুূলুল্লাহ্(সা:) এর সম্মানার্থে দাড়ানো/কিয়াম করা হারাম★★
ফকির উয়ায়ছী-Fokir:
এই ছবিটি সংগ্রহ করা। আর কালো কালিতে এডিট আমার করা।
মুসলমান নামধারী কুচক্রী মহল এটা লিখে প্রচার করছে মানুষের মাঝে। সত্য বলতে এটা মুসলমান না বিধর্মীদের কাজ সেটাও বুঝা যাচ্ছে না। নবীর জন্য কিয়াম অর্থাৎ দাড়িয়ে সম্মান দিলে যদি বেদাৎ হয়। তবে আমি এই বেদাৎ গর্ভসহকারেই করতে রাজি। রাছুল সা. যা করেছেন তার বাইরে কোন কিছু করাই যেহেতু বেদাৎ হবে। তাহলে আমি জ্ঞাণীদের কাছে জিজ্ঞাসা করতে চাই। রাছুল সা. তিনি নিজে কলেমায় “লা ইলাহা ইল্লাহু মুহাম্মাদুর রাছুলুল্লাহ” পড়েছিলেন কি? রাছুল সা. যেভাবে কলেমা পড়তেন সেটাই আমাদের পড়া উচিৎ নয় কি? আমি চিন্তা যখন ফজরের আজান শুনি। আযানে “আসসালাতু খাইরুম মিন্নাউম” কথাটুকু তো নবী এমনকি প্রথম খলিফার সময় ছিল না। সেটা কি? মসজিদে যাই দেখি মসজিদের সব হুজুরগন কেন বেদাৎ করছে? তারা তো ফতোয়া দেয় কেন এটা মাথায় আসে না? তাদের ফতোয়া অনুযায়ী তো রাছুল সা. মৃত। ( আমি বলছি নাউজুবিল্লাহ)। রাছুল সা.কে দাড়িয়ে সালাম দিলে যদি বেদাত এমনকি হারাম হয়। তবে তো রাছুল সা. এর জন্য জায়গা খালি রাখাও তো বেদাৎ এবং হারাম। এর চেয়ে বড় বেদাত এবং বড় হারাম তো খলিফার জন্য জায়গা খালি রাখা। মসজিদের মিম্বরে প্রথম সিড়ি খালি রাখা হয় রাছুল সা. এর সম্মানে। এটাও তো বেদাৎ। দ্বিতীয় সিড়ি খালি রাখা হয় খলিফা আবু বকরের সম্মানে। এটা তো বেদাতের উপর বেদাত হারামের উপর হারাম। অথচ ইসলামের সবচেয়ে খমতাধর খলিফা উমরের সম্মানে খালি না রাখাটাও তো আদবের খেলাফ মনে করি। তৃতীয় সিড়িতে দাড়িয়ে খুতবা পড়া কি বেদাৎ এমন কি হারাম হবে নয়? আর যে লোকটি এই বেদাৎ কাজটি সমাধা করে ইমামতিতে দাড়ালো তার ইমামতিতে নামায হবে কি? আমার দৃষ্টিতে ঐ ইমামের পিছনে নামায আদায় করার কোন কারণই নাই। আমার দৃষ্টিতে ইমাম নিজেও বেদাৎ করেছেন। বেদাতির ইকদেতা করাও তো বেদাতী হবে। আমার ভুলথাকতে পারে এই ব্যপারে যুক্তি যুক্ত মন্তব্য জানতে চাই যাতে আমার ভুল যেন ভাঙ্গাতে পারি। হায়-রে নবীর উম্মত আমরা নিজেদের জন্য জাহান্নান তৈরী করে রেখে; নবীর সাফায়্যাত জন্য অপেক্ষা করছি? বিবেকের কাছে প্রশ্ন রাখলেই তো পাওয়ার কথা আপনার জন্য নবীর সাফায়্যাত আছে কিনা? নাকি সোজা জাহান্নামই আপনাদের অপেক্ষাই আছে। যারা এই ধরণের ছবি সহ পোষ্ট লিখে শেয়ার করছেন এবং লাইক শেয়ার করছেন তাদের জন্যও জাহান্নাম অধির আগ্রহে অপেক্ষা করছে জেনে রাখবেন।
ফকির উয়ায়ছী আত্মশুদ্ধিতেই আত্মতৃপ্তি, স্রষ্টার নৈকট্য লাভেই মুক্তি, ফকির উয়ায়ছী
