ফকির উয়ায়ছী:
“পীরকে সেজদা না করা হারাম এবং সেজদা করতে অস্বীকৃতি জানানোর সঙ্গে সঙ্গেই সে কাফের” তারা দলিলও পেশ করেন। আমি সে দলিল গুলি উল্লেখ করেই লিখছি বিবেচনা আপনাদের। মতামত জানালে মানুষ জানতে পারবে।
১৫:৩০-৩১# “ফেরেশতারা সবাই মিলে সেজদা করল। কিন্তু ইবলীস-সে সেজদাকারীদের অন্তর্ভূক্ত হতে স্বীকৃত হল না।”
উক্ত আয়াতে বিবেচনা করলে দেখা যায় আদম আল্লার নিজ হাতে গড়া এবং মাসুম এবং তিঁনি একজন নবী। আর যাদেরকে আল্লা সেজদা করতে বলেছিলেন তারা ফেরাস্তা। আজাজিল করেন নাই বলেই আল্লা হইতে বিতারিত শয়তান। সূফীমতের লোক গুলি বুঝাতে চায় সেজদা না করলেই শয়তান। অথচ এই সূফী সেজদা গ্রহনকারী এবং সেজদা প্রদানকারী উভয়ই নোংড়া বীর্য থেকে তৈরী।
২য় দলিল দেয় “ইউসুফ নবীকে তাঁর পিতামাতা ও বড় ১১ ভাই মিলে সেজদা করলেন” -সূরা ইউসুফ-১০০
অথচ খেয়াল করে দেখে না নিবোর্ধের দল। ইউসুফ আ. যখন নবী মনোনীত হয়ে মসনদে বসলেন তখনই তারা মা/বাবা সেজদা করেছিলো। এবং বড় ভাইগনও সেজদা করেছেন। কিন্তু তার আগে বড় ভাইদের আচরন কি ছিলো সেটার দিকে খেয়াল করে না। যদি খেয়াল করতো তবে বুঝতে পারতো বড় ভাই সকল ইউসুফকে নয় বরং ইউসুফ নবীকে সেজদা করেছেন।
তারা আরোও দলিল দেয় মুসা নবীকে সেজদা করিছেলো যাদুকররা। এই দলিল শুনে মেনে যারা সূফী পিরকে সেজদা দেয় তারা যদি জিজ্ঞাসা করতেও বাবাগো (পির) যাদের দলিল দিলেন তারা তো নবী ছিলো সেজদা দিয়েছে সব মুশরিকরা। আমাদের কি আপনি মুশরিক বলতে চাচ্ছেন আর আপনী কি নবী। তবে সূফী পির সাহেবদের কি অবস্থা হয় এটাই দেখার ইচ্ছা। এক পির সাহেব তার রচিত বইতে সূরা ১৫১ আয়াতের তরজমা করেছে মন গড়া। নিন্মে আমি উল্লেখ করছি।
“যে আল্লাহ ও তাঁর প্রতিনিধীর (নবী-রসুল, সুফি-দরবেশ) মাঝে পার্থক্য নিরুপণ করে সে নির্ভেজাল কাফের”। এই আয়াতের তরজমায় (সুফি-দরবেশ) লিখার মতন কোন আরবী শব্দ নাই। অথচ এই পির-সূফী মুরিদের আল্লা সেজে বসে আছেন। প্রশ্ন তবে সুফি-দরবেশ সংযোজন করার প্রয়োজন কি আছে?
সেজদাকারীরা যদি নিজেদের কাফের মনে করেন তবে সেজদা দিতে পারেন। তবে মনে রাখা উচিৎ হবে। কোরানে আল্লা বলেছেন সেজদা আমার (আল্লা) জন্য। কোরান অনুযায়ী ইসা নবীকেই আল্লা মানলেই কাফের। আর আপনী যাকে সেজদা করেছেন সে আপনার মতনই একজন পাপীষ্ট ব্যক্তি। মানুষ যত বড় জ্ঞানী নাম ডাকওয়ালা হোউক আল্লার কোরানের বাইরে গেলে মানার সুযোগ নাই।
বি.দ্র: সূফী মতের প্রদর্শীত দলিল অনুযায়ী সেজদাকারীরা কাফের। আর সেজদা গ্রহন কারী নবী। এটা মেনে নিলে বেশী বেশী সেজদা দিবেন।
ফকির উয়ায়ছী আত্মশুদ্ধিতেই আত্মতৃপ্তি, স্রষ্টার নৈকট্য লাভেই মুক্তি, ফকির উয়ায়ছী
